এখন দুপুর ১২:৩১ | আজ রবিবার | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

ফুলবাড়ীয়া প্রতিদিন

এগিয়ে থাকে, এগিয়ে রাখে

ফুলবাড়ীয়া সবশেষ

ফুলবাড়ীয়ায় বৃষ্টির জন্য মুসল্লীদের প্রার্থনা

আলএমরান : তীব্র তাপদাহ থেকে মুক্তি আশায় ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। নামাজ শেষে বৃষ্টি জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন তারা।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা শহরের কে আই ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে এ নামাজ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে সবাই মহান আল্লাহ পাকের কাছে মাফ চেয়ে গরম থেকে মুক্তি, ফসল রক্ষা ও বৃষ্টির জন্য রহমত কামনা করে দোয়া করেন।

এতে মাদ্রাসাছাত্র ও শিক্ষকসহ ফুলবাড়ীয়া বাজার এলাকার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

ফুলবাড়ীয়া কে আই ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ তাজাম্মুল হোসেন খানের ইমামতিতে ইসতিসকার দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। নামাজ শেষে বৃষ্টির জন্য মুসল্লিদের নিয়ে সৃষ্টিকর্তার দরবারে দু’হাত তুলে মোনাজাত পরিচালনা করেন মওলানা তাজাম্মুল হোসেন খান। এ সময় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা ও সব মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়।

নামাজ শেষে ফুলবাড়ীয়া আল হেরা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক শামীম বলেন, অনাবৃষ্টি ও অতি তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। এ অবস্থায় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আমরা নিরুপায়। তাই এ তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি পেতে বৃষ্টি লাভের আশায় আকাশের নিচে এই মাঠে ইসতিসকার নামাজ আদায় করা হয়েছে।

কে আই ফাজিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা শামসুদ্দীন বলেন, বৃষ্টিপাত না হলে আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সাহাবীদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইসতিসকার নামাজ আদায় করতেন। সেজন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আমাদের পাপের জন্য তওবা এবং ক্ষমা চেয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছি।

কে আই ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনূস আলী বলেন, গত ১০ থেকে ১৫ দিন যাবৎ ফুলবাড়ীয়ায় তীব্র তাপদাহ বইছে। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষজন। এই মুহূর্তে বৃষ্টির পানির ভীষণ প্রয়োজন। তাই মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে বৃষ্টির পানি চেয়ে ইসতিসকার নামাজ আদায় ও মোনাজাত করা হয়েছে।